জানুয়ারি-আগস্ট: ২০২৪

বাংলাদেশ থেকে ৪৭০ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, কমেছে ৯.১৭%

একক বাজার হিসেবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় রফতানি গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র।

একক বাজার হিসেবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় রফতানি গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। অর্থমূল্য বিবেচনায় দেশটি চলতি বছর জানুয়ারি থেকে আগস্ট এ ‌আট মাসে বাংলাদেশ থেকে ৪৭০ কোটি ডলারেরও বেশি পোশাক পণ্য আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমদানি কমেছে ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (ওটিইএক্সএ) হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্টে বাংলাদেশ থেকে ৪৭০ কোটি ৯৮ লাখ ১০ হাজার ডলারের পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত বছরের একই সময়ে আমদানির অর্থমূল্য ছিল ৫১৮ কোটি ৫১ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এ হিসাবে জানুয়ারি-আগস্টে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি কমেছে ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।

ওটিইএক্সএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের প্রথম আট মাসে বিশ্ববাজার থেকে ৫ হাজার ১৩০ কোটি ২১ লাখ ডলারের পোশাক আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পোশাকের আমদানি কমেছে ৪ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। দেশভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পোশাক আমদানির উৎস চীন। আলোচ্য আট মাসে চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি কমেছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ। আমদানি হয়েছে ১ হাজার ৬৯ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার ডলারের পোশাক। একই সময় ভিয়েতনাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ কমেছে। আমদানি হয়েছে ৯৫৫ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার ডলারের পোশাক।

চলতি বছর আট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির অর্থমূল্য বিবেচনায় চীন ও ভিয়েতনামের পর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পর রয়েছে যথাক্রমে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মেক্সিকো, হন্ডুরাস, কম্বোডিয়া ও পাকিস্তান। এরমধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে পোশাক আমদানি কমেছে ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। ভারত থেকে কমেছে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং মেক্সিকো থেকে কমেছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

আরও